সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পৌষ সংক্রান্তির দিন ঠাকুরের অলৌকিক দর্শন | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কাহিনি 🔸 আপনাগো দুই ভাইয়ের কান্ড | শ্রীশ্রী ঠাকুরের লীলা | পৌষ সংক্রান্তি

 পৌষ সংক্রান্তির দিন ঠাকুরের অলৌকিক দর্শন | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কাহিনি

🔸 আপনাগো দুই ভাইয়ের কান্ড | শ্রীশ্রী ঠাকুরের লীলা | পৌষ সংক্রান্তি

পৌষ সংক্রান্তির দিনে ঘটে যাওয়া এক অলৌকিক ঘটনা। শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কৃপা এবং তার ভক্তদের প্রতি নিরন্তর নজরদারি আমাদের জীবনকে কিভাবে প্রভাবিত করে, আজ শোনাবো সেই গল্প।

"জয়গুরু জয়রাম। শ্রীশ্রী রামঠাকুরের অলৌকিক লীলার এক নতুন অধ্যায়ে আপনাকে স্বাগত।"


"পৌষ সংক্রান্তিতে আপনাগো দুই ভাইয়ের কান্ডকারখানা দেইখ্যা আমি চইল্যা আইছিলাম"।

🙏 জয়গুরু জয়রাম 🙏
শ্রীশ্রী ঠাকুরকে কেউ ফাঁকি দিতে পারে না, বিভিন্ন ঘটনায় বহু আশ্রিত তার অসংখ্য প্রমাণ পেয়েছেন।
সেবার মহেন্দ্র দাস ঠাকুরকে পৌষ সংক্রান্তিতে নোয়াখালী যাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলেন। ফেনীতে প্রথম দার বাড়িতে শ্রী শ্রী ঠাকুর তখন অবস্থান করছেন।
মহেন্দ্রদাস ঠাকুরকে অনুরোধ করে বলেন --ঠাকুর, এবার পৌষ সংক্রান্তিতে আপনাকে আমাদের বাড়িতে যেতে হবে। পিঠা দিয়া ভোগ দিবে বলে আমার স্ত্রী বিশেষ অনুরোধ করে পাঠিয়েছেন। শ্রী শ্রী ঠাকুর তার বাড়িতে যেতে রাজি হয়েছিলেন।
বেশ কিছুদিন পর ফেনী যাওয়ার পথে লাকসাম স্টেশনে মহেন্দ্র দাস ঠাকুরকে প্রণাম করে তার পাশে বসে অনেক কথা বলার পর বললেন --- কই ঠাকুর, আমার বাড়িতে পৌষ সংক্রান্তিতে গেলেন না তো? শ্রী শ্রী ঠাকুর একটু হেসে উত্তরে বললেন, আমি তো ঐদিন আপনার বাড়িতে গেছিলাম।
দেখলাম আপনারা দুই ভাই ঘরের দরজায় লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। আপনাগো দুই ভাইয়ের কান্ড কারখানা দেইখা চইলা আইছিলাম। শ্রী শ্রী ঠাকুর তখন মৃদু মৃদু হাসছিলেন।
প্রথম দা এবং রোহিণী বাবুরা সেই দিনের ঘটনাটি সম্পর্কে মহেন্দ্র বাবুকে জিজ্ঞাসা করলেন। মহেন্দ্র বাবু অত্যন্ত সংকুচিত ভাবে বললেন ---- সত্যিই আমরা দুই ভাই সংক্রান্তির দিনে ঝগড়া করে সন্ধ্যাবেলায় লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে বকাবকি করছিলাম। শ্রী শ্রী ঠাকুর আশ্রতিদের পরমগতি, তাই তিনি সর্বদা আশ্রিতদের প্রতি লক্ষ্য রাখেন।
এই ছিল পৌষ সংক্রান্তির দিনে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের লীলার এক অভূতপূর্ব ঘটনা। তাঁর দিব্যশক্তি ও করুণা আমাদের জীবনে সর্বদা পথ দেখায়।
আপনারা যদি এই ধরনের আরও আধ্যাত্মিক ঘটনা শুনতে চান, তবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। জয়গুরু, জয়রাম!


🙏 ❤️ জয় রাম জয় গোবিন্দ❤️ 🙏

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

“সর্ব্বদা নাম করিবেন। নামকেই অনন্য চিন্তা বলিয়া থাকে।”

  🕉️ নামেই আশ্রয়… “সর্ব্বদা নাম করিবেন। নামকেই অনন্য চিন্তা বলিয়া থাকে।” — শ্রীশ্রী রামঠাকুর (বেদবাণী, খণ্ড ৩, পত্র ১১) জীবনের পথে আমরা বহন করি বহু উপাধির ভার। প্রাক্তনকর্মের প্রভাবে দেহ-মনে ওঠে নানা ঢেউ। কিন্তু ধৈর্য্য ধরে, নাম জপ করলেই সব ক্লেশ, সব অভাব একে একে ক্ষীণ হয়ে আসে। আজ, এই যুগে—জগতে শুধু একটিই সত্য আশ্রয়— 🔱 " নাম বৈ আর কিছু এ জগতে থাকিবে না…" চাই শান্তি? চাই সত্যের সংস্পর্শ? তবে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে— 🙏 নাম গ্রহণ করুন। নামেই জীবনের আশ্রয় খুঁজে পান। 🙏 নাম গ্রহণ করুন। নামেই জীবনের আশ্রয় খুঁজে পান। 🔔 নিত্য নামস্মরণে নিজেকে শুদ্ধ করুন। সকল অভাব দূর হোক। # রামঠাকুর #বেদবাণী # নামজপ #ভক্তি # SpiritualQuotes # NaamSmaran # SriRamThakur # SanatanDharma # BhaktiPath
  জয়রাম জয়গোবিন্দ জয় সত্যনারায়ণ শ্রীশ্রী রাম ঠাকুরের প্রকট লীলা সংবরণের অল্প কিছুকাল পরে পাহাড়তলী কৈবল্যধাম আশ্রমে দ্বিতীয় মোহন্ত মহারাজ শ্রীমদ্ শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের উপস্থিতিতে একটি অভূতর্পূব ঘটনার কথা এইবার সংক্ষেপে প্রকাশ করা হইতেছে। বাদ্যর্ক্য জনিত সামান্য রোগ ভোগে শ্রীধামে একজন আশ্রমিকের দেহ ত্যাগ হইল। ডাক্তার আসিয়া ডেথ্ সার্টিফিকেট দিয়া যাওয়ার পরে মহারাজ শ্যামাদার নিন্দের্শে অপরাপর কয়েকজন আশ্রমিক মৃত ব্যক্তির সৎকারের আয়োজনে তৎপর হইলেন।এমতাবস্থায় তাহারা এক অত্যাশ্চর্য্য ঘটনার সম্মুখীন হয়। হঠাৎ মৃত ব্যক্তির দেহে প্রাণের স্পন্দন দেখা গেল। প্রাণ সঞ্চার হইলে সেই ব্যক্তি আস্তে আস্তে বলিতে লাগিল, ' তোমরা মহারাজকে খবর দাও। তাঁহাকে আমার বিশেষ কিছু কথা বলার আছে। শীঘ্র তাহার ব্যবস্হা কর, আমি বেশী সময় পাইব না। ওইরূপ অভূতপূর্ব বিস্ময়কর ঘটনার কথা শুনিয়া মহারাজ শ্যামাদা সেই মৃত ব্যক্তির নিকট একপ্রকার ছুটিয়া আসিলে, সে ব্যক্তি মহারাজকে বলিতে লাগিলেন, " মহারাজ অল্প সময়ের জন্য আমাকে দেহে ফিরিয়া আসিতে হইয়াছে। বেশী...
  🎬 ভিডিও টাইটেল ( Title): “ ধৈর্য্যই পরম উপাসনা – শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী ব্যাখ্যা ( পত্র ৫৯)” 👉 ভগবৎচিন্তা, সংসারধর্ম ও চিরস্থায়ী শান্তির পথ 🪔 ভিডিও ইন্ট্রো ( Intro Script): 🎵 [ ধীর- শান্ত সুরে, ধূপ- ধুনোর আবহ] “ এই সংসারে নিত্য, নিরঞ্জন ধৈর্য্য স্থায়ীরূপে জাগাইতে চেষ্টা করাই পরম উপাসনা।” শ্রবণ করুন শ্রীশ্রী রামঠাকুরের অমূল্য বাণী থেকে একটি গভীর পত্রাংশ। আজ আমরা আলোচনা করব— কেন ধৈর্য্যই প্রকৃত উপাসনা , কেমন করে মন, বুদ্ধি ও দুঃখ- সুখের বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, এবং কিভাবে ভগবৎ শরণ গ্রহণ করাই জীবনের একমাত্র পথ। আসুন, মনোযোগ দিয়ে শুনি… হৃদয় দিয়ে বুঝি…     বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড, (৫৯) নং পত্রাংশ। শ্রীশ্রী রামঠাকুর।   এই সংসারে নিত্য, নিরঞ্জন ধৈর্য্য স্থায়ীরুপে জাগাইতে চেষ্টা করাই পরম উপাসনা। সর্ব্বদা যাহাতে অকর্ত্তা বুদ্ধির গোচরে যাওয়া যায় তৎপক্ষে নিত্য চেষ্টা করাই স্বধর্ম্ম জানিবেন। ……চিন্তা করিবেন না।  মন বুদ্ধিতে যাহা প্রাপ্ত অপ্রাপ্ত দ্বারা সুখ দুঃখ , ভাব অভাবাদি উৎপন্ন হয় তাহার সকলি স্বপ্ন জানিবেন, এবং ভ্রান্তিমূলক মাত্রা ক...