কেদার বদরী ভ্রমণে ১৯৫২ সালে এপ্রিল মাসে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন যাত্রা করি এবং দুই মাস পরে ফিরি। কেদারনাথের মন্দিরে প্রবেশ দরজায় একটা প্রকান্ড কাঠের খুঁটি আড়াআড়ি ভাবে ঝুলাইয়া রাখা হইয়াছে যাত্রীর ভিড় আটকাইবার জন্য। মন্দির মধ্যে কয়েকটি তৈল প্রদীপ মাত্র আছে। আমার পান্ডা বলিলেন, "বাবাজী, চোখ বুজিয়া মিনিট দুই থাকুন নতুবা কিছুই দেখিতে পাইবেন না।" ঐরূপ করিয়া পরে চোখ মেলিয়া দেখি কেদারনাথের মূর্ত্তি'র পশ্চাতে দাঁড়ান কাঁধের উপর দুই হাত রাখিয়া ঠাকুর দাঁড়াইয়া আছেন। দেখিয়া বড়ই আনন্দ হইল। কেদারনাথ মূর্তি শ্বেত পাথরে প্রস্তুত চতুর্ভূজ এবং উপবিষ্ট। যে আসনে উপবিষ্ট তাহা দুই ফুট উঁচু, আমি এক দৃষ্টিতে চাহিয়া আছি ---দেখি ঠাকুর কেদারনাথ মূর্তির সহিত মিলাইয়া গেলেন।
জয়রাম
(" শ্রীশ্রীরামচন্দ্র স্মৃতি কথা "- রাঁজেন্দ্র লাল বন্দোপাধ্যায়।)
